চুনারুঘাটে চা-বাগানপাড়ে পর্যটনের নতুন দিগন্ত

চুনারুঘাটে চা-বাগানপাড়ে পর্যটনের নতুন দিগন্ত
চুনারুঘাটে চা-বাগানপাড়ে পর্যটনের নতুন দিগন্ত

চুনারুঘাট প্রতিনিধি ॥ চা-বাগান আর পাহাড়ঘেরা হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এখন পর্যটনের নতুন গন্তব্য। রেমা-কালেঙ্গা ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পাশাপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চা-বাগানকেন্দ্রিক দর্শনীয় স্থানগুলো। এরই মধ্যে রামগঙ্গা এলাকায় স্থাপিত হয়েছে ‘বিউটিফুল চুনারুঘাট’। স্থানীয়দের দাবি, পর্যটনের বিকাশ হোক পরিবেশবান্ধবভাবে।

সপ্তাহের ছুটির দিনে পর্যটকে মুখর থাকে চান্দপুর থেকে সাতছড়ি, সাতছড়ি থেকে তেলিয়াপাড়ার ৮ কিলোমিটার পুরোনো মহাসড়ক। কেউ ঘুরতে আসছেন, কেউ করছেন পিকনিক। সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকানপাট। জমজমাট হয়ে উঠছে এই পাহাড়-চা বাগানঘেরা অঞ্চল। চা-বাগানের ফাঁকে ফাঁকে প্রতিদিনই ভিড় করছেন শত শত মানুষ।

শুধু চুনারুঘাট নয়, হবিগঞ্জ সদর,

 মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার থেকেও পর্যটকরা আসছেন। শুক্রবার ও শনিবার তো রীতিমতো মেলা বসে। এতে যানবাহনের চাপ বেড়েছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।

চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগও জরুরি। রামগঙ্গায় ব্যবসায়ী জুমেল খানের অর্থায়নে “বিউটিফুল চুনারুঘাট” স্থাপন করার পর পর্যটক আরও বেড়েছে। রিসোর্ট, হোটেল-মোটেল হলে পর্যটনে গতি আসবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা চান, চুনারুঘাট হয়ে উঠুক পর্যটনের নগরী। তবে এর সঙ্গে চাই পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষা।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র দেব বলেন, ‘প্রতিদিনকার ময়লা যদি নিজেরাই নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলি, তাহলে পরিবেশ নষ্ট হবে না। দোকানিরা যদি দোকানের চারপাশ পরিষ্কার রাখেন, আর পর্যটকরা সচেতন হন, তাহলে জায়গাটা সুন্দর থাকবে।’