ভিন্ন মত, ভিন্ন ধর্মের কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায়: জিকে গউছ

ভিন্ন মত, ভিন্ন ধর্মের কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায়: জিকে গউছ
ভিন্ন মত, ভিন্ন ধর্মের কোন মানুষ যেন কষ্ট না পায়: জিকে গউছ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার টানা তিনবারের নির্বাচিত পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন, “আওয়ামী লীগ বুকভরা বিষ নিয়ে বসে আছে, সুযোগ পেলে ছোবল দেবে। তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এই ‘ডেভিলদের’ থেকে সাবধান থাকতে হবে।”

গতকাল রবিবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “বিএনপি মানুষকে ভালোবাসে, আল্লাহকে ভয় করে। আওয়ামী লীগ যেভাবে মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন করেছে,

আমরা তা করব না। আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে— আপনাদের দ্বারা যেন ভিন্ন মতের বা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কেউ কষ্ট না পান।”

জি কে গউছ আরও বলেন, “আমাদের রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণে, দেশের কল্যাণে। বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে— ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব।’ সেই ভোটেই প্রমাণ হবে আগামী দিনে কে রাষ্ট্র চালাবে।”

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ করে প্রশাসনের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মনে রাখবেন, বাংলাদেশের মানুষ নিজের অধিকারের জন্য রক্ত দিতে জানে, গর্জে উঠতেও জানে।”

‘দেশে আবারও অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে’ উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাহেব আলী। পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান।

সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম ইসলাম তরফদার তনু ও হাজী এনামুল হক, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান কাজল, সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম মতিন, সিনিয়র সহসভাপতি আজম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শামছু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম মানিক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, নিজামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী মতিন, সাধারণ সম্পাদক মজনু তালুকদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুক মিয়া প্রমুখ।